যোগরূঢ় শব্দ কোনটি?
যোগরূঢ় শব্দ কোনটি?
-
ক
কলস
-
খ
মলম
-
গ
বাঁশি
-
ঘ
শাখামৃগ
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে। যেমনঃ শাখামৃগ, পঙ্কজ, আদিত্য, রাজপুত, মাহযাত্রা, জলধি, জলদ, দশানন, পরিবার, বহুব্রীহি, গোঁফখেজুরে ইত্যাদি। উল্লেখ্য, কলম, মলম যৌগিক এবং বাঁশি রূঢ়ি শব্দ।
যোগরূঢ় শব্দ হল সেই সমস্ত সমাসবদ্ধ পদ যা সমস্যমান পদগুলির অর্থের সাথে পুরোপুরিভাবে যুক্ত না থেকে, একটি বিশেষ বা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। অন্যভাবে বলা যায়, যখন একটি সমাসবদ্ধ শব্দ তার সমস্যমান পদগুলির সাধারণ অর্থ থেকে সরে গিয়ে একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, "পঙ্কজ" শব্দটি "পঙ্কে জন্মে যা" এই অর্থে ব্যবহৃত হলেও, এটি সাধারণত "পদ্ম ফুল" এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। [১, ২]
যোগরূঢ় শব্দগুলি সাধারণত "বহুব্রীহি সমাস"-এর অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ধরনের শব্দগুলির অর্থ তাদের উপাদান পদগুলির অর্থের সমষ্টি না হয়ে, একটি নতুন এবং বিশেষ অর্থ নির্দেশ করে। [১, ২]
উদাহরণ:
পঙ্কজ (পঙ্কে জন্মে যা) - পঙ্ক (কাদা) + জন্ (জন্ম নেওয়া) - এখানে পঙ্কজ বলতে শুধুমাত্র পদ্ম ফুলকে বোঝায়। [১, ২]
মহাযাত্রা - এখানে 'মহতী যাত্রা' সাধারণ অর্থ হলেও, এর বিশেষ অর্থ 'মৃত্যু'। [১, ২]
বাঁশি - এখানে 'বাঁশ দিয়ে তৈরি' সাধারণ অর্থ হলেও, এর বিশেষ অর্থ 'একটি বাদ্যযন্ত্র'। [১, ২]
রাজপুত - রাজার পুত্র সাধারণ অর্থ হলেও, এটি একটি বিশেষ জাতি বা সম্প্রদায়ের নাম। [১, ২]
এই শব্দগুলি তাদের উপাদান পদগুলির অর্থ থেকে সরে এসে একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাই এগুলিকে যোগরূঢ় শব্দ বলা হয়। [১, ২]
শব্দ :
অর্থ হলো শব্দের প্রাণ। এক বা তার অধিক ধ্বনির সমন্বয়ে যদি কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ পায় তবে তাকে শব্দ বলে।
শব্দের উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়: ক্+অ+ল+অ+ম্ = ধ্বনি। এ ধ্বনি পাঁচটির মিলিত রূপ হলো 'কলম'। 'কলম' এমন একটি বস্তুকে বোঝাচ্ছে, যা দিয়ে লেখা যায়। 'কলম'- 'ক', 'ল', 'ম' ধ্বনিসমষ্টির মিলিত রূপ, যা অর্থপূর্ণ। সুতরাং 'কলম' একটি শব্দ।
এ রকম : আমি, বাজার, যাই ইত্যাদিও শব্দ। এগুলোর আলাদা আলাদা অর্থ আছে। কিন্তু এ রকম আলাদা আলাদা শব্দ মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করতে পারে না। তাই অর্থপূর্ণ শব্দ জুড়ে জুড়ে মানুষ তার মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে থাকে।
যেমন - "আমি বাজারে যাই।" এটি একটি বাক্য। এখানে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পেয়েছে
অন্য একটি উদাহরণ হিসেবে বললে বাক্যের মধ্যে কতকগুলি শব্দ থাকে। যেমন - 'গাছে অনেক ফুল ফুটেছে'; এখানে- গাছে , অনেক, ফুল ও ফুটেছে , এখানে এই চারটি শব্দ।
বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগ হতে পারে।
১. গঠনমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) মৌলিক ও (খ) সাধিত
২. অর্থমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) যৌগিক, (খ) রূঢ়ি এবং (গ) যোগরূঢ়
৩. উৎসমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) তৎসম, (খ) অর্ধ-তৎসম (গ) তদ্ভব (ঘ) দেশি ও (ঙ) বিদেশি ।
Related Question
View All'এয়ো' শব্দটি কোন শব্দের উদাহরণ?
-
ক
সংস্কৃত
-
খ
প্রাকৃত
-
গ
বাংলা
-
ঘ
তদ্ভব
কোনটি দেশি শব্দ?
-
ক
আনারস
-
খ
কাগজ
-
গ
খোঁপা
-
ঘ
উকিল
নিচের কোনটি মৌলিক শব্দ?
-
ক
ছুটি
-
খ
কাব্য
-
গ
দ্বীপ
-
ঘ
মেঘ
মৌলিক শব্দ কোনটি?
-
ক
মেঘ
-
খ
ছুটি
-
গ
কাব্য
-
ঘ
দ্বীপ
'নেমন্তন্ন' কী ধরণের শব্দ?
-
ক
তৎসম
-
খ
অর্ধ তৎসম
-
গ
তদ্ভব
-
ঘ
মিশ্র
কোনটি সাধিত শব্দ নয়?
-
ক
হাতল
-
খ
গোলাপ
-
গ
ফুলেল
-
ঘ
পানসা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!